
পাকে বিপাকে:
নাটকের গল্পে দেখা যায়, নিঝুম রাতে গ্রামের আলপথ ধরে কাঁপা গলায় গান গাইতে গাইতে এগিয়ে আসছে হাবলা জনার্দন। হঠাৎ তার আর্তচিৎকারে কেঁপে ওঠে বিলের চারধার। যেন বিষাক্ত সাপ ছোবল দিয়েছে। জনার্দন চিৎকার করে দৌড়ে ছুটে যায় এক লন্ঠনের আলো বরাবর। যেখানে বসে আছে একজন। জনার্দন তার কাছে যতই সাহায্য চায় সে ফিরে তাকায় না বরং ইশারায় চলে যেতে বলে। হাবলা জনার্দন ইশারা বোঝে না। সে ক্ষতের জ্বালায় গ্রামের জোয়ার্দার নবকৃষ্ণ বাবুর কুকীর্তির বয়ান ক্রমাগত পেশ করতে থাকে। এই নবকৃষ্ণের জন্যই তিন বছর লালন পালন করা গাই গরু আজ কসাইয়ের কাছে তুলে দিতে বাধ্য হয়েছে সে। নয়তো এই গরু নিজের বলে বাড়ি নিয়ে যেত নবকৃষ্ণ।
এভাবেই ঘটনাক্রমে এগিয়ে যায় এবং জোতদার নবকৃষ্ণ পরাস্ত হয় হাবলা জনার্দনের কাছে।
চরিত্র লিপি :-
দূর্বা: ব্রততী রুদ্র
নবকৃষ্ণ: রাজীব ব্যানার্জি
ডালিম: দিবাঞ্জন সাহা
জনার্দন: দেবাশিস সরকার
পাখি:
সাল ১৯৭৭। স্থান কলকাতা। পশ্চিমবঙ্গের মসনদে সবেমাত্র বসেছে এক নতুন সরকার। কলকাতার স্মৃতিতে নকশাল আন্দোলনের দগদগে বাস্তবতা তখনও জ্বলজ্বল করছে। পেলে একদিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলছেন, অন্যদিকে নিত্যনিয়মিত কল কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সময়ের ক্ষতে জর্জরিত এই কলকাতা মনোজ মিত্রের 'পাখি' নাটকের পটভূমি।
নীতীশ এক নিম্নমধ্যবিত্ত সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ। সামান্য কিছু হ্যারিকেন বেচে সে যে কটা টাকা পায় তাতে ন্যূনতম বিলাসিতার সুযোগ থাকে না। কিন্তু সে স্বপ্ন দেখা ছাড়ে না। জীবন তাকে যতই নিত্য নতুন বাধাবিপত্তির সম্মুখীন করে, ততই সে মরিয়া হয়ে ওঠে সুখের খোঁজে, 'বাড়ি'র খোঁজে। কিন্তু তার 'বাড়ি' কোথায়?
তার স্ত্রী শ্যামা তাদের 'নুন আনতে পান্তা ফুরোয়' জীবনে ম্যারেজ এনিভার্সারী পালনের 'পাগলামি' দেখে রেগে যায়, বিরক্ত হয়। কিন্তু সেও কি তার 'বাড়ি' খুঁজছে?
রচনা - মনোজ মিত্র
চরিত্র লিপি :-
শ্যামা: উদিতা ব্যানার্জি সরকার
চৈতালী: মনীষা রুদ্র
নীতিশ: দেব সাহা
গোপাল: প্রীতম ব্যানার্জী
Age: No limit