
নটবর
গ্রামের একটি পাঠশালা, নগা, বগা, গদা আর ক্লাসের লিডার ভোলা, আর রয়েছেন পণ্ডিত মশাই। সেই পাঠশালায় হঠাৎ একদিন বছরের মাঝখানে একটি ছেলে ভর্তি হয়, নাম নটবর চন্দ্র সাপুই, প্রথমদিন তাকে দেখে বাকিদের মধ্যে তাকে নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলতে থাকে, এদিকে তার পিছনে লাগতে গিয়ে ভোলা একেবারে চিৎপটাং,, তারপর থেকে শুরু হয় নটবরকে নাস্তানাবুদ করার পরিকল্পনা। আর বারে বারে তার ফলফল হয় উল্টোই। নাটকের ক্লাইম্যাক্সে নগা এক জব্বর প্ল্যানের ফাঁদ পাতে।নটবরকে গিয়ে তারা জানায়, হেড মাষ্টারেরমশাইয়ের বাবা নাকি মারা গেছেন,, তাই সে কিছু ছেলেপুলে নিয়ে গিয়ে যেন তাকে সাহায্য করে, এদিকে নটবরকে তারা হেড মাষ্টারেরমশাইয়ের কাছে পাঠিয়ে ভাবলো বেশ জব্দ করা গেল, অপর দিকে নটবর তাদের এসে জানালো হেড মাষ্টারেরমশাই রাজি, ব্যাস, এবার তারা হেড মাষ্টারমশাইয়ের কাছে যেতেই ধুম ধারাক্কা মার। পণ্ডিতমশাই জানালেন যে হেডমাস্টারের ভাইপোই নটবর আর নটবর স্বীকার করে নেয় সব দোষ তার তার বন্ধুদের কোনো দোষ নেই।নাটকের উদ্দেশ্য আমাদের নাটকের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিনোদন নয়, শৈশবের মনিকোঠায় আমরা যে সমস্ত দিন ফেলে এসেছি তার স্মৃতিচারণ।
মূলগল্প - লীলা মজুমদার (নতুন ছেলে নটবর অবলম্বনে)
আলো: সমর
রূপসজ্জা: সুরজিৎ
অঙ্গবিন্যাস ও আবহ: অরিজিৎ
অভিনয়: অভিজিৎ, কৌশিক, পুষণ, রাহুল, পুরুষোত্তম, প্রিয়ঙ্কর, সায়ন ও সুনয়ন / স্বাগতম
নাট্যরূপ ও নির্দেশনা: রাহুল
সময়: ৫৫ মিনিট
মুখো(শ)মুখি:
মনে আছে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া নির্ভয়া কান্ড, সালটা 2012? অথবা কলকাতা শহরের বুকে আর জি কর কাণ্ডে তিলোত্তমার ধর্ষণ ও খুন? কখনও প্রশ্ন করেছেন, প্রত্যেকে পুরুষের মধ্যেই কি একটা ধর্ষক লুকিয়ে থাকে? এই প্রশ্ন গুলো সবাইকেই ভাবিয়ে তুলছে রোজ।সৌম্য ও নন্দিনী ওদের বিবাহিত সম্পর্কের মাঝে ঘটে যায় ভয়ঙ্কর ঘটনা, ওদের মধ্যে তৈরী হয় বেড়াজাল। এক রাতে ঘটে যাওয়া একটা নৃশংস ঘটনা সৌম্যকে তৈরি করে এক মনস্টার যা সমাজের প্রত্যেক পুরুষের মধ্যেই প্রশ্ন তোলে। প্রত্যেক দিন সৌম্য সাইকোলজিস্ট এর কাছে গিয়ে নিজেকে ভাঙতে চেয়েছে কিন্তু পারেনি। তার পরিবার থেকে অফিস, অফিস থেকে পাড়া, সোসাইটি থেকে প্রতিবেশী, এবং মিডিয়ার সাথে লড়াই করছে সৌম্য নন্দিনীর জন্য। একজন পুরুষ নিজেকে উলঙ্গ করে ফেলে সমাজের কাছে। হ্যাঁ, নন্দিনীর আঠারো দিন আগে ধর্ষণ হয়েছে। এটা সৌম্য ও নন্দিনীর লড়াই। কঠিন লড়াই। কিভাবে লড়াই করছে ওরা? ফিলোসফি থেকে বিজ্ঞান সব ক্ষেত্রেই একজন পুরুষ কি শুধুই উপভোগ ছাড়া আর কিছু নয়? আমরা আয়নার সামনে দাড় করিয়ে মুখোমুখি করবো আপনাদের। সৌম্য কিন্তু উত্তর পেয়েছে, মুখোশ-মুখি হয়ে।
মূলগল্প: সাহিত্যিক দেবতোষ দাসের গল্প "ধর্ষণের আঠারো দিন পর" অবলম্বনে
নাট্যকার: তমোজিৎ রায়
সমগ্র পরিকল্পনা ও নির্দেশনা: সৌগত ঘোষ
আলো: সমর পাড়ুই
মঞ্চ: সৌম্যজিৎ দে
সঙ্গীত: অরিত্র সরকার
অভিনয়: সুদীপা বাগচী, অর্চিতা চক্রবর্তী, সয়নিকা কুন্ডু, সৌভিক ভট্টাচার্য, শঙ্খ শুভ্র দাস, সমীর
কর্মকার, অভি চ্যাটার্জী, সৌম্যজিৎ দে, শ্রেয়া সরকার ও সৌগত
নাটকের সময়: ৫০ মিনিট